
বার্লিনের এক প্রদর্শনীতে শিল্পী বিপলের তৈরি ইলন মাস্ক ও কিম জং উনের মতো প্রভাবশালীদের মুখাবয়ব সংবলিত রোবোটিক কুকুর দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিচ্ছে। ‘রেগুলার অ্যানিম্যালস’ নামের এই যান্ত্রিক কুকুরগুলো চারপাশের ছবি তুলে তা নির্দিষ্ট ব্যক্তির শৈল্পিক ধাঁচে প্রিন্ট করে দেয়। অ্যালগরিদম ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কী

রয়টার্সের প্রতিবেদন
কোর্টনি ইউ আরও বলেন, “যদিও স্পেসএক্সের ৭ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারের মূলধন অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, তবুও এটি বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা তৈরি করতে সাহায্য করে। যার মাধ্যমে কোম্পানির আসল লক্ষ্য আসলে কী বোঝা যায়।”

জেফ বেজোসের নিউ গ্লেন রকেটের উৎক্ষেপণে বড় গোলযোগ। বুস্টার সফলভাবে নামলেও ভুল জায়গায় আটকে গেল মূল্যবান স্যাটেলাইট। ইলন মাস্কের স্পেস-এক্সের সাথে লড়াইয়ে এই ব্যর্থতা কতটা প্রভাব ফেলবে?

জেফ্রি এপস্টেইন ছিলেন একজন মার্কিন কোটিপতি এবং ফিন্যান্সিয়ার। কিন্তু তার আসল পরিচিতি অন্য জায়গায়। ছিলেন বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ‘নেটওয়ার্কার’। আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন থেকে শুরু করে ডোনাল্ড ট্রাম্প, মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস কিংবা ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রিন্স অ্যান্ড্রু

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টাইনের সঙ্গে সম্পর্কিত ফাইলে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির মা মীরা নায়ারের নাম পাওয়া গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।

ধনকুবের ইলন মাস্ক বলেছেন, ভবিষ্যতে অর্থ সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা নাও থাকতে পারে। তার মতে, ভবিষ্যতে তার ধারণা ইউনিভার্সেল হাই ইনকাম চালু হলে সঞ্চয় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।

টাইম ম্যাগাজিন বেশ সচেতনতার সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সরাসরি এআইকে বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব করেনি। বরং এটি নিয়ে যারা চিন্তা করেছেন, ডিজাইন করেছেন এবং তৈরি করেছেন তাদের বেছে নিয়েছেন।

বায়কার, যা উন্নতমানের ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তি নির্মাণ করে এবং সম্প্রতি ইউক্রেনকে ড্রোন সরবরাহ করেছে, ২০২৪ সালে তাদের ১.৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের ৯৫ শতাংশই অন্যান্য দেশে রপ্তানি থেকে এসেছে।

ওয়াংয়ের লক্ষ্য ছিল, এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করা যা যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারে। আর চেনের লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৌশল ও বাস্তব জীবনের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো।

মাস্কের পুরো অর্থ পেতে হলে তাকে আগামী ১০ বছরের মধ্যে টেসলার বাজার মূল্য ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৮.৫ ট্রিলিয়ন ডলার করতে হবে।